জোরপূর্বকশ্রম

জোরপূর্বকএবংবাধ্যতামূলকশ্রমেনিষেধাজ্ঞা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ি জোরপূর্বক শ্রম কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, “সকল প্রকার জোরপূর্বক শ্রম নিষিদ্ধ এবং যদি কোন এই আইন কোন ক্ষেত্রে অমান্য করা হয় তাহলে তা বেআইনি এবং আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গন্য করা হবে”। দণ্ডবিধির (পেনাল কোড) এর ধারা ৩৭৪ অনুযায়ী, “যদি কোন ব্যক্তি একটি শ্রমিককে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শ্রম প্রদানে বাধ্য করে তবে সেই ব্যক্তির কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে যা বিশেষ বিবরনির সাথে ১ বছর বাড়ানো যাবে অথবা জরিমানা দিতে হবে অথবা উভয়ই করা হবে”। 

চাকরিপরিবর্তনেরস্বাধীনতাএবংচাকরিছাড়ারঅধিকার

বাংলাদেশের শ্রম আইনে এমন কোন ধারা নেই যা একজন শ্রমিককে তার কাজ পরিবর্তন বা ছাড়তে বাধা প্রদান করবে। সংবিধান অনুযায়ী, প্রতিটি নাগরিকের যে কোন আইনসঙ্গত পেশা বা কাজে প্রবেশ করার এবং যেকোনো বৈধ বানিজ্যে বা ব্যবসা পরিচালনা করার অধিকার আছে।

একজন স্থায়ী শ্রমিক তার চুক্তি ভঙ্গ করতে পারে এবং ৬০দিনের একটি লিখিত নোটিশ প্রদান করে তার কাজের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করতে পারবে। একজন অস্থায়ী শ্রমিক যদি সে মাসিক ভিত্তিতে কাজ করে তবে ৩০ দিনের লিখিত নোটিশ দিয়ে তার সেবা থেকে অবসর গ্রহন করতে পারে অথবা ১৪ দিনের নোটিশ অন্যান্য শ্রমিকের ক্ষেত্রে। যদি একটি শ্রমিক কোন নোটিশ ছাড়া নিজ ইচ্ছায় পদত্যাগ করতে চায় তবে সেই ক্ষেত্রে উল্লিখিত সময়কালের মধ্যে বিজ্ঞপ্তির পরিবর্তে নিয়োগকর্তা কে বেতন পরিশোধ করতে পারে।

(গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ধারা ৪০, শ্রম আইন ২০০৬ এর শারা ২৭ (১-৩) সংশোধিত ২০১৩) 

জোরপূর্বকশ্রমেরনিয়মাবলিঃ

  • বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬, সংশোধিত ২০১৩ / Bangladesh Labour Act 2006, amended in 2013
  • গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধান ৪ঠা নভেম্বর ১৯৭২,সংশোধিত ২০১১ / Constitution of the People's Republic of Bangladesh 4th November 1972, last amended in 2011
loading...
Loading...